• জানুয়ারি ২৫, ২০২১
  • Last Update জানুয়ারি ২৪, ২০২১ ১০:২৫ অপরাহ্ণ
  • বাংলাদেশ

বরিশালের উজিরপুরে নকল স্বর্ণ দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতারক চক্র

বরিশালের উজিরপুরে নকল স্বর্ণ দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতারক চক্র

উজিরপুরে নকল স্বর্ণ দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতারক চক্র

বরিশালের উজিরপুরে নকল স্বর্ণ দিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আতœসাৎ করেছে প্রতারক চক্র বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপার সৃষ্টি। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায় উপজেলার শোলক গ্রামের প্রতারক খাঁনজে আলি সরদার ও তার ছেলে আলি সরদারসহ কতিপয় প্রতারক চক্র মিলে গাজীপুরের গাছ ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ এর নিকট গাছ বিক্রি করার কথা বলে তাদের বাড়ীতে আসতে অনুরোধ করে।

২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রশিদ প্রতারকের বাড়ীতে এসে পৌছায়। এরপর খানজে আলি সরদার গাছের চেয়ে স্বর্ণ অলঙ্কারের ব্যবসায় অনেক বেশী লাভ হবে বলে রশিদকে ধোকা দিয়ে তার কাছে নকল স্বর্ণ বিক্রি করে নগদ ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে সটকে পরে। এরপর সন্দেহ হওয়ায় ভুক্তভোগী গাছ ব্যবসায়ী স্বর্ণকার দিয়ে পরিক্ষা-নিরিক্ষা করে দেখতে পায় আসল স্বর্ণ নয়। সর্বসান্ত হয়ে গেছে গাছ ব্যবসায়ী রশিদ। তিনি কোন উপায়ন্তু না পেয়ে বাদী হয়ে ২৫ ডিসেম্বর উজিরপুর মডেল থানায় অভিযুক্ত বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। ২৬ ডিসেম্বর এস.আই রবিউল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান সরেজমিনে তদন্ত করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্তরা লাপাত্তা হয়েছে। তাদের কাউকে বাড়ীতে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সুত্রে আরো জানা যায় খানজে আলি সরদার ইতিপূর্বে একাধিক মানুষকে ধোকা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এটাই তার আয় উপার্যনের একমাত্র মাধ্যম। সহজ সরল মানুষকে ব্যবসার নাম করে প্রতারনার ফাঁদে ফেলে অবৈধ ভাবে অর্থ হাতিয়ে নেয়াই তার নেশা ও পেশা। প্রতারক নামে এলাকায় সুপরিচিত খানজে আলি সরদার। ওই পরিবারের উৎপাতে অতিষ্ট শোলকবাসী।

এছাড়ার শত শত ব্যাক্তি খানজে আলির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছে এবং সাধারনরা বিচারের দাবীতে জোট বেধেঁছে। ওই প্রতারকদের খপ্প্র থেকে রেহাই পেতে দ্রæত অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *