• মার্চ ৩১, ২০২০
  • Last Update মার্চ ৩১, ২০২০ ১:০৭ অপরাহ্ণ
  • বাংলাদেশ

বরিশালের সরিকল বাজারে হঠাৎ চাউল ও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি- প্রশাসন দৃষ্টি দিন

বরিশালের সরিকল বাজারে হঠাৎ চাউল ও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি- প্রশাসন দৃষ্টি দিন

করোনাভাইরাসের প্রভাবে পণ্যসংকট হবে—এমন আতঙ্কে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে ক্রেতারা কেনাকাটা করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। এই সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে কিছু ব্যবসায়ী খাদ্য মজুত করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। বেশি দাম রাখায় কোনো কোনো ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানিয়েছেন। অনেক বাজারে পণ্যের দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। ৪০ টাকা দরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। গৌরনদীতে বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, গৌরনদী, টরকী বন্দর, সরিকল বাজার, মাহিলাড়া, বাটাজোড়া, বাবুগঞ্জে আগরপু্রে একই অবস্থা। হ্যান্ডওয়াশ ও স্যানিটাইজার কেনার হিড়িকের পর এবার শুরু হয়েছে বিপুল পরিমাণে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনাকাটা। এ সুযোগে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। খুচরা বাজারে চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৬ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত। আর পেঁয়াজে বেড়েছে খুচরা বাজারে ৪০ টাকা পর্যন্ত।

চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোকামেও চালের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। মিলের মালিকেরা ধানের সংকট দেখিয়ে চাল সরবরাহ করতে পারছেন না। বোরো না ওঠা পর্যন্ত চালের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখছেন না। বাজারের দোকানগুলোয় ক্রেতাদের ভিড়ে ঠাসা। কেউ দরদামের তোয়াক্কা করছেন না। সবাই চাইছেন বাড়তি চাল, ডাল, নিত্যপণ্য। দাম যা–ই হোক, তাতে কিছু যায়–আসে না। পরিস্থিতি এমন যেন মহাদুর্যোগকে সামনে রেখে সবাই ব্যস্ত আগামী কয়েক মাসের খাবার কিনে মজুত করতে। দোকানিরাও গলদঘর্ম। দোকানগুলোয় কদিন আগেও এক কেজি আলুর দাম ছিল ছিল ১৫ থেকে ১৮ টাকা। গত শুক্রবার তা এক লাফে ৩০ টাকা হয়ে গেছে। দর-কষাকষির কোনো সুযোগ নেই।

একটি দোকানে দেখা গেল, একজন ক্রেতা আলু–আটার দাম নিয়ে দোকানিকে প্রশ্ন তুলেছেন। দোকানি অনেকটা বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘আপনার না পোষালে মাল রেখে চলে যান। অন্য দোকান থেকে কিনুন।’ পাশের দোকানে আবার অনেক ক্রেতা প্রশ্ন ছাড়াই সেসব পণ্য বেশি দামে কিনে নিচ্ছেন। কিনতে পেরে তাঁদের মুখে স্বস্তিও দেখা গেল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *