• ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
  • Last Update ডিসেম্বর ১০, ২০১৯ ৬:১১ অপরাহ্ণ
  • বাংলাদেশ

ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে ইউপি চেয়ারম্যানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী

ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে ইউপি চেয়ারম্যানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ সরকারী, বেসরকারী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফলজ, বনজ, ঔষধীসহ বিভিন্ন পুষ্পবৃক্ষ রোপণ করে এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুরিয়েছেন জেলার দুইবারের শ্রেষ্ঠ গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলু। বৃক্ষরোপনে ব্যাপক অবদান রাখায় ইতিমধ্যে বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার-২০১৮ তে ভূষিত হয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক বছরের ব্যবধানে মাহিলাড়া ইউনিয়নের ১৪ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়কের দুইপাশে আমলকি, জলপাই, চালতা, জাম্বুরা, জাম, ডেউয়া, সজনে, বকুলসহ নানান প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। এছাড়াও ইউনিয়নের ১৭ কিলোমিটার সড়কে তাল বীজ রোপণ করা হয়েছে। সরেজমিন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন সড়কের দুইপাশে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে বিভিন্ন প্রজাতির সারি সারি বৃক্ষের সমারোহ।

গৌরনদী বন কর্মকর্তা মনিন্দ্রনাথ হালদার জানান, মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বিগত পাঁচবছর যাতব বৃক্ষরোপণ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি প্রায় ১২ হাজার গাছের চারা রোপণ করেছেন। রোপণকৃত গাছের চারাগুলোও যথেষ্ট ভাল আছে। তিনি আরও জানান, সে যতগুলো বৃক্ষরোপণ করেছেন যা উপজেলার অন্য কোন জনপ্রতিনিধিরা রোপণ করেননি। ফলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে (পিকলু) জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝূকিঁ মোকাবেলায় বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির অনুপ্রেরণায় গত পাঁচ বছর যাবত ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কের দুইপাশে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তির জন্য আবেদন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কারের জন্য তিনি (পিকলু) নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই গৌরনদীর এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে উঠেপরে লেগেছেন। ফলে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যে ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তার (পিকলু) বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়। সর্বশেষ জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পরেও ওই জনপ্রতিনিধি উদ্দেশ্যেমূলকভাবে সাংবাদিকদের দিয়ে অপপ্রচার চালানোর ধারা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অতিসম্প্রতি কয়েকটি পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে সরকারী সড়কের গাছকাটার মিথ্যে অভিযোগ দিয়ে তথ্য প্রচার করা হয়। মূলত ১৯৯৯ সালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কাছ থেকে মাহিলাড়া-পঁয়সারহাট সড়কের মাহিলাড়া থেকে ছয়গ্রাম পর্যন্ত সড়কে সামাজিক বনায়নের জন্য তিনি (পিকলু) ইজারা নিয়েছেন। সড়কটির জমি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর অধিগ্রহণ না করায় গাছগুলো বড় হওয়ার পর থেকে জমির মালিকরা কেটে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে গাছ কাটার বিষয়ে তার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। অথচ তার (পিকলু) নাম যখন বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার জন্য মনোনীত করা হয়েছে। সেই থেকেই তার বিরুদ্ধে সরকারী গাছ কাটার অপপ্রচার চালানো শুরু হয়েছে। এমনকি সরকারী গাছ কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একটি মনগড়া তদন্ত প্রতিবেদনও দাখিল করা হয়েছে। যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে তিনি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *