• নভেম্বর ২১, ২০১৯
  • Last Update নভেম্বর ২১, ২০১৯ ১:৩৫ অপরাহ্ণ
  • বাংলাদেশ

বাবুগঞ্জের তিন নদীর অব্যাহত ভাঙনে দীশেহারা তীরবর্তী মানুষ

বাবুগঞ্জের তিন নদীর অব্যাহত ভাঙনে দীশেহারা তীরবর্তী মানুষ

রফিকুল ইসলাম রনি, বরিশাল:- নদী ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার খর¯্রােতা তিন নদীর তীরবর্তী বসবাসরত মানুষগুলো। সন্ধ্যা, সুগন্ধা ও আড়িয়াল খাঁ এ তিন নদীর চলমান ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয়েছে নদীমাতৃক উপজেলাটির শত শত ঘরবাড়ি আবাদি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভিটাবাড়ি হাড়িয়ে নিঃস্ব হয়ে অসহায় শত শত পরিবার। আর এ নদী ভাঙনের কারন হয়ে দাড়িয়েছে অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। ফলে উপজেলার বেশ কয়েকটি বসতঘরসহ আবাদি জমি গ্রাস করেছে খরস্রোত সুগন্ধা।

গত কয়েক মাসে বাবুগঞ্জের মানচিত্র থেকে হারিয়েছে সৈয়দ মোশারফ-রশিদা একাডেমি, আবুল কালাম কলেজ সংযোগ সড়কসহ বেশ কিছু স্থাপনা। নদীরগর্ভে বসত-বাড়ি, আবাদি জমি, দোকান-ঘরসহ কয়েক একর জমির ফলদ বৃক্ষ বিলীন হয়েছে ।

তাছাড়াও ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (দোয়ারিকা) সেতু, মহিষাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আবুল কালাম ডিগ্রী কলেজ, জামেনা খাতুন মাধ্যামিক বিদ্যালয়, চরসাধুকাঠি মাদ্রাসা, ঐতিহ্যবাহী বাবুগঞ্জ বাজার, মীররগঞ্জ ফেরিঘাট, মোল্লার হাট বাজার, ভাঙারমুখ লঞ্চ ঘাট, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতি জাদুঘর, রমজানকাঠী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রমজানকাঠী গ্রাম বাংলা বিদ্যাপিঠ সহ নদীর কুলের বেশ কয়েকটি জামে মসজিদ ও বেশকিছু সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

সব ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল জাহিদ ফারুক শামিম-এমপি, বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া টিপু ও রাজনতীক অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এদিকে ভাঙন প্রতিরোধে জিওব্যাগ ফেলানো হচ্ছে। কিন্তু ভাঙনের অবস্থা তীব্র আকার ধারণ করেছে প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থানিয়দের দাবি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করলে ভাঙন প্রতিরোধ করা যাবে। এ ব্যাপারে সাংসদ আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া টিপু বলেন, বাবুগঞ্জ-মুলাদী অঞ্চলের নদী ভাঙন প্রতিরোধে এরইমধ্যেই বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। অচিরেই ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *