• অক্টোবর ৪, ২০২২
  • Last Update অক্টোবর ১, ২০২২ ৭:১০ অপরাহ্ণ
  • বাংলাদেশ

মামলার ০২ সপ্তাহ্ কেটে গেলেও পুলিশ এখনো দিতে পারেনি কোনো সবুজ সংকেত, আতংকের ভিতর দিন কাটাচ্ছেন অসহায় পরিবারটি

মামলার ০২ সপ্তাহ্ কেটে গেলেও পুলিশ এখনো দিতে পারেনি কোনো সবুজ সংকেত, আতংকের ভিতর দিন কাটাচ্ছেন অসহায় পরিবারটি

পটুয়াখালীর বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নের ব্যাংক কর্মকর্তা জালাল শরীফ (৫৮) ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত হলেও নিজের টাকার প্রভাব ব্যবহার করে ধরা ছোয়ার বাইরেই রয়েছেন এমনটাই অভিযোগ করেছেন ভুক্ত ভুগী পরিবারটি।

উল্লেখ গত ১৬ এপ্রিল ২০২১ বিকালে উপজেলার পূর্ব কাছিপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব কাছিপাড়ার মোঃ সবুর তালুকদারের ১৪ বছরের প্রতিবন্ধী মেয়ে পূর্ব কাছিপাড়া দারুছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার কাছে শাক তুলতে যায়। এ সময় একই বাড়ির বাসিন্দা পূবালী ব্যাংক কালাইয়া শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার জালাল শরীফ (৫৮) তাকে পেছন থেকে জাপটে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। প্রতিবন্ধী মেয়েটির চিৎকার শুনে লোকজন চলে আসলে লম্পট জালাল শরীফ (৫৮) দৌড়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তারপরের দিন থানায় অভিযোগ দায়ের করতে আসতে চান প্রতিবন্ধী মেয়েটির পরিবার, তবে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভয়ে তারা থানায় আসতে পারেননি। ১৭ এপ্রিল ২০২১ রবিবার লম্পট জালাল শরীফ ও তাঁর ছেলে নেওয়াজ শরিফ প্রতিবন্ধী মেয়েটির বাবা মোঃ সবুর তালুকদারকে ভয় ভিতি দ্যাখান এবং তার শরীরে হাত তোলেন। এরপরের দিন ১৮ এপ্রিল রবিবার স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ জহিরুল হক তালুকদার এবং মোঃ সুজন আলম আকন সহ স্থানীয় ব্যক্তিরা ঘটনাটি মিমাংসা করে দেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হলে পরের দিনই ঘটনাস্থলে ছুটে যান বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) মোঃ আল মামুন, তিনি ভুক্তভোগী পরিবারটিকে সু-বিচার পাইয়ে দেবার আশ্বাস প্রদান করেন।

ওসির আশ্বাস পেয়ে গত ২১ এপ্রিল ২০২১ প্রতিবন্ধী মেয়েটির মা মোসাঃ কহিনুর বেগম(৪০) বাদী হয়ে লম্পট জালাল শরীফকে আসামী করে বাউফল থানায় শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা করার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন লম্পট ব্যাংক কর্মকর্তা জালাল শরীফ।

প্রতিবন্ধী মেয়েটির মা কহিনুর বেগম(৪০) বলেন এই জালাল শরীফ এর আগেও কয়েকবার আমার মেয়ের চরিত্র হরন করতে চেয়েছিলো, আমরা এলাকার মুরুব্বীদেরক জানিয়েও কোনো বিচাঁর পাইনি তখন। এই বার উনি যা করছেন তার সঠিক বিচাঁর না হলে আইনের উপর থেকে আমাদের মত গরিবদের আস্থা উঠে যাবে। আমি আমার মেয়ের সাথে এরকম খারাপ কাজ করা ব্যক্তিটির সবোর্চ্চ শাস্তি কামনা করছি।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) মোঃ আল মামুন বলেন মামলাটির তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে যিনি/যারা অপরাধী তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.