• অক্টোবর ৫, ২০২২
  • Last Update অক্টোবর ১, ২০২২ ৭:১০ অপরাহ্ণ
  • বাংলাদেশ

আজ শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী

আজ শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী

গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি।আজ ৭ মে, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার, এমপি’র ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী। এ উপলক্ষে ঢাকা ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, ইফতার ও তবারক বিতরণ, স্মরণসভা এবং স্মরণিকা প্রকাশ।

দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সকালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩৯নং ওয়ার্ডের হায়দরাবাদ গ্রামে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন, বিকেলে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং ইফতার ও তবারক বিতরণ বিতরণ করা হবে।

শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি স্মৃতি পরিষদের সভাপতি এডভোকেট আবদুল বাতেন ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান মসজিদে আহসান উল্লাহ মাস্টারের সকল কর্মসূচি সফল এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় সবাইকে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন ।

শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের বড় ছেলে এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি গ্রামের বাড়ি হায়দরাবাদ, টঙ্গী ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগসহ সকলকে শাহাদৎ বার্ষিকীর কর্মসূচিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

মহান স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আহসান উল্লাহ মাস্টারের স্মৃতি পরিষদ প্রয়াতের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে একটি স্মরণিকা ও সংবাদপত্রে বিশেষ নিবন্ধসহ সংখ্যা প্রকাশ করবে।

এই উপলক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরাম (বিজেআরএফ), গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (জিইউজে), ভাওয়াল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, ভাওয়াল আইডিয়াল একাডেমি, হায়দরাবাদ জনকল্যাণ সমিতি ও ভাওয়াল শিশু কিশোর ফোরামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি মেনে মরহুমের কবরে পৃথকভাবে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করেছে ।

শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার (গাজীপুর-২ গাজীপুর সদর-টঙ্গী) আসন হতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দু’বার সংসদ সদস্য, ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে দু’দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য। এছাড়াও জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) চেয়ারম্যান। তিনি শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।

 

১৯৯২ সালে উপজেলা পরিষদ বিলোপের পর চেয়ারম্যান সমিতির আহবায়ক হিসেবে উপজেলা পরিষদের পক্ষে মামলা করেন ও দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলেন। এক পর্যাযে তিনি গ্রেপ্তার হন ও কারাভোগ করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ৭ মে বিএনপি জোট সরকারের মদদপুষ্ট একদল সন্ত্রাসী নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার আইনে এ হত্যা মামলার রায় হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.