• ডিসেম্বর ৫, ২০২২
  • Last Update নভেম্বর ২৫, ২০২২ ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
  • বাংলাদেশ

বরিশালে বীরশ্রেষ্ঠ কলেজের কর্মচারীর মামলা নিয়ে তোলপাড়

বরিশালে বীরশ্রেষ্ঠ কলেজের কর্মচারীর মামলা নিয়ে তোলপাড়

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করার অভিযোগে জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কলেজের অধ্যক্ষসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন কলেজের নিন্মমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ হারুন শেখ।
সূত্রমতে, এমপিও ভুক্ত করার জন্য ছয় বছর ধরে কর্মরত কলেজের নিন্মমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ হারুন শেখের কাছে দ্বিতীয় দফায় দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলাল হোসেন, গভর্নিং বডির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আগরপুর কলেজের অধ্যক্ষ এবায়দুল হক শাহীন। তাদের দাবিকৃত ঘুষের টাকা না দেয়ায় কলেজ সংশ্লিষ্টরা তার (হারুন শেখ) এমপিও নিয়ে নানা তালবাহানা শুরু করেন। এমনকি অবৈধভাবে একইপদে নিয়োগ ঘোষণা করা হয়। উপায়অন্তুর না পেয়ে তিনি (হারুন শেখ) বরিশাল আদালতে ৩০ জনকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করেন। বিচারক অবৈধ নিয়োগের ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ অতিসম্প্রতি বিবাদীরা হাতে পাওয়ার পর গত ২৩ মে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আলাল হোসেন, গভর্নিং বডির সভাপতি সরদার খালেদ হোসেন স্বপন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আগরপুর কলেজের অধ্যক্ষ এবায়দুল হক শাহীন, শিক্ষক প্রতিনিধি শংকর বাড়ৈ, মুন্নী আক্তার মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এক প্রার্থীকে দ্বিতীয় দফার ঘোষিত অবৈধ নিয়োগে পূর্ণবহাল করার জন্য জরুরি বৈঠক করেছেন। বীরশ্রেষ্ঠ’র নামের কলেজের নিন্মমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর অসহায় হারুন শেখ তার বৈধ নিয়োগ বহাল রেখে এমপিও ভুক্তি হয়ে সকল সুযোগ সুবিধা পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
হারুন শেখ দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে একাধিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর পুরো জেলা ও উপজেলাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে ওই প্রকাশিত সংবাদের একাংশে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সহদর মঞ্জুর রহমান বাচ্চুর নাম ছাঁপা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এ ঘটনার সাথে তিনি (মঞ্জুর রহমান বাচ্চু) জড়িত নেই। সোর্সের ভুল তথ্যের কারণে তার নাম ছাঁপা হয়েছে। এ জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমা প্রার্থী। তবে আমার (হারুন) এমপিওভুক্তি হওয়া না হওয়ার ব্যাপারে বীরশ্রেষ্ঠর পরিবারের কারও সাহায্য পাইনি। বীরশ্রেষ্ঠ’র নামের কলেজের নিন্মমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর অসহায় হারুন শেখ তার বৈধ নিয়োগ বহাল রেখে এমপিও ভুক্তি হয়ে সকল সুযোগ সুবিধা পেতে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *